চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে সিলেটের শুরু
নিউজ ডেস্ক | ৬:০৭ অপরাহ্ন, ৪ নভেম্বর, ২০১৭

গত আসরের চ্যাম্পিয়ন ঢাকা ডায়নামাইটসের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) শুরু হলো হার দিয়ে। ২০১৬ সালের বহিষ্কৃত সিলেটের দলটি নতুন নামে এসে দারুণ শুরু করলো। সাকিব আল হাসানের দলকে ৯ উইকেটে হারালো সিলেট সিক্সার্স।
ঢাকাকে ৭ উইকেটে ১৩৬ রানে বেধে দিয়ে ১৬.৫ ওভারেই লক্ষ্য পূরণ করেছে স্বাগতিকরা। মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রান করে সিলেট।
শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক উপুল থারাঙ্গা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের আন্দ্রে ফ্লেচারের ১২৫ রানের জুটি সহজ জয় এনে দেয় সিলেটকে। ৪৮ বলে ৫ চার ও ২ ছয়ে ৬৯ রানে অপরাজিত ছিলেন থারাঙ্গা। জয় থেকে ১২ রান দূরে থাকতে ফ্লেচার ৬৩ রানে আউট হন আদিল রশিদের বলে। ক্যারিবিয়ান ওপেনার খেলেছেন ৫১ বল, ৫টি চার ও ৩টি ছয় মেরেছেন তিনি।
সিলেট যখন জয়ের বন্দরে পৌঁছায় তখন ম্যাচসেরা থারাঙ্গার সঙ্গে ব্যাটিং ক্রিজে ছিলেন দলের আইকন ক্রিকেটার সাব্বির রহমান (২*)।
সিলেট অধিনায়ক নাসির নেন দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেটসিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং নেয় স্বাগতিকরা। শুরুতেই তারা আউট করে ওপেনার মেহেদী মারুফকে। এভিন লুইস ও কুমার সাঙ্গাকারার ব্যাটে ওই ধাক্কা কাটিয়ে উঠেছিল ঢাকা। যদিও সিলেটের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে রান তোলার গড় মোটেও টি-টোয়েন্টি সুলভ ছিল না তাদের। লুইস ও সাঙ্গাকারা পরপর আউট হলে গেলে আবার বিপদে পড়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
টস হেরে ব্যাটিং পাওয়া ঢাকার অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের মন্তব্যটা ছিল এমন, ‘এই উইকেটে ১৭০ রান করতে না পারলে জেতা কঠিন হবে।’ অথচ ব্যাটিংয়ে নেমে সাকিবের দল শুরুতেই হারায় উইকেট। সিলেটের অধিনায়ক নাসির হোসেন নিজে বল হাতে তুলে নিয়ে শূন্য রানে ফেরান মারুফকে। আরেক ওপেনার লুইস অবশ্য অভিজ্ঞ সাঙ্গাকারাকে সঙ্গে নিয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন। যদিও টি-টোয়েন্টির ছোঁয়া ছিল না তাতে। তাদের ৫৪ রানের জুটিটাও ভাঙেন নাসির। লুইসকে আবুল হাসানের হাতে ক্যাচ বানিয়ে ফেরান তিনি ২৬ রানে।
খানিক পর সাঙ্গাকারাও ধরেন তার পথ। ২৮ বলে ৩২ রান করে এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান আউট হন লিয়াম প্লাঙ্কেটের বলে। চোখের ইনজুরিতে জাতীয় দলের বাইরে থাকা মোসাদ্দেক হোসেনও ব্যর্থ। ৬ রান করে দুর্ভাগ্যজনক রান আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি।
অধিনায়ক সাকিব বিপদ থেকে দলকে তোলার চেষ্টা করেন কিয়েরন পোলার্ডের সঙ্গে। যদিও ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার পারেননি, এক ছক্কায় ৭ বলে ১১ রান করে ফিরে যান তিনি। ক্রিজে টিকে থাকার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ সাকিব ২১ বলে করেন ২৩ রান। শেষ পর্যন্ত ক্যামেরুন ডেলপোর্টের ১৩ বলে হার না মানা ২০ রানের ওপর ভর দিয়ে ঢাকার স্কোর যায় ১৩৬ পর্যন্ত।
নাসির, আবুল হাসান, প্লাঙ্কেট- সিলেটের তিন বোলার পেয়েছেন দুটি করে উইকেট। তবে সবচেয়ে সফল নাসির ২১ রানে নিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ ২ উইকেট।
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

