হাওরের ফসল রক্ষায় প্রো-একটিভ না হয়ে প্রি-একটিভ হতে হবে
কামরুল হাসান বাবু | ৫:২৯ অপরাহ্ন, ২ এপ্রিল, ২০১৮

আর কিছুদিন পরেই হাওরে শুরু হবে ধান কাটার মহোৎসব। কিন্তু এরই মধ্যে শিলাবৃষ্টির কারণে হাওরের কৃষকদের মনে ভয় কাজ করছে। সাথে আছে অকাল বন্যার আশঙ্কা। এমতাবস্থায় নিচের বিষয়গুলি নিশ্চিত করা গেলে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি অনেকখানি কমানো সম্ভব হবে।
# ধান দ্রুত কাটার আধুনিক যন্ত্র বাজারে এসেছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় এসব যন্ত্র প্রস্তুত রাখা দরকার।
# ধান পরিবহনের জন্য বড় বড় নৌকা প্রস্তুত রাখা হোক যেন ধান শুকনা স্থানে দ্রুত নিয়ে আসা যায়।
# মাথায় রাখতে হবে হাওরে কৃষি শ্রমিকের স্বল্পতা রয়েছে, দুর্যোগের সময় শ্রমিক স্বল্পতা আরো প্রকট আকার ধারণ করে ।
# সরকারি কর্মকর্তাদের আগে থেকেই প্রস্তুতি নেয়া থাকলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া সহজ হয়।
# বাঁধগুলোতে কোন প্রকার ফাটল আছে কিনা এখনি পরীক্ষা করে দেখা উচিত হবে।
# তথাকথিত ইঁদুর বাঁধ কেটে গর্ত করেছে কিনা তাও পরীক্ষা করা দরকার হবে। নাহলে এই ইঁদুরের উপর দোষ চাপিয়ে সকল অপকর্ম আর দুর্নীতি পার পাবার চেষ্টা হবে গত বছরের মত।
# হাওর নিয়ে চিন্তা করেন এবং কাজ করেন এমন সকল সংগঠনগুলোকে এখনি কাজ শুরু করতে হবে।
# প্রো-একটিভ না হয়ে প্রি-একটিভ হলে বেশি সুফল পাওয়া যাবে।
# কৃষকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই।
# সংঘবদ্ধ হয়ে বাঁধগুলোর রক্ষণাবেক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হবে।
# পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষক ও প্রশাসনের মধ্যে একটি যোগসূত্র তৈরি করে এখনি দুর্যোগ মোকাবিলা করার জন্য আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে।
# সর্বোপরি আল্লাহর উপর ভরসা রাখতে হবে পাশাপাশি নিজের সচেতনতা বৃদ্ধি করে প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য।
লেখক: রোটারীয়ান ও সাধারণ সম্পাদক, হাওর অঞ্চলবাসী, ঢাকা।


1 Comments