করোনার ক্লান্তিকালীন মধ্যবিত্তের জীবনের ঘানি
মোঃ নুরুল ইসলাম মোল্লা (অনিক) | ৯:৩৯ অপরাহ্ন, ১৫ জুন, ২০২০

মোঃ নুরুল ইসলাম মোল্লা (অনিক)
জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোক প্রণয়ন থেকে বলা হয়েছে। প্রাইভেট কোম্পানিতে ডিরেক্ট সেলস এন্ড মার্কেটিং এ কর্মরত।
আজকে অফিসের কাজে মার্কেট ভিজিটে যাওয়ার জন্য বের হলাম। চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ থেকে-সিইপি জেট যাবো এই জন্য বাস কাউন্টারে গেলাম টিকেট ক্রয় করার জন্য। সরকারী নির্দেশ অনুযায়ী টিকেট এর দাম বৃদ্ধি পেয়ে ৬০% এর ও উর্ধমুখী ।
যেমন: ২০ টাকার ভাড়া বেড়ে ৩২ টাকা। তদ্রুপ রিক্সা বৃদ্ধি পেয়ে ৫০ টাকার ভাড়া ৮০/১০০ টাকা, সিএনজি ১৫০ টাকার ভাড়া ২২০/২৫০ টাকা।
নিত্য প্রয়োজনীয় বাজার-শাক-সবজি, মাছ, মাংস ইত্যাদি ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে।
কথা এ প্রেক্ষিতে নয়।এটি যোগসূত্র মাত্র। আমার মূল বক্তব্য: বাংলাদেশের অনেক শিক্ষিত লোকজন সেলস এন্ড মার্কেটিং ডিপার্টমেন্ট-এ কর্মরত। আর মার্কেটিং এর জব চালিত হয় টার্গেট ব্যাচ নিয়ে। প্রাইভেট কোম্পানিগুলোর বেশিরভাগই ম্যানেজমেন্ট থেকে প্রেসারাইজ করা হচ্ছে বা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে টার্গেট না হওয়ার জন্য টিএ/ডিএ বন্ধ, বেতন ৫০% থেকে ৬০% দেওয়া হবে। এমনও বলা হচ্ছে টার্গেট হয়নি তাই বেতন দেওয়া হবে না।
সাধারণত এমনিতেই মার্কেটিং জব এর টার্গেট এচিভ করা খুবই কঠিন হয়ে পরে। আর এখন নোভেল করোনা ভাইরাস এর মধ্যে টার্গেট এচিভ এর প্ৰশ্নই উঠেনা। তারপরও ফ্যামিলির চিন্তা করে একটি মার্কেটিং কোম্পানিতে কর্মরত সাধারণ সেলস পারসন করোনার ভয় না করে ও অক্লান্ত পরিশ্রম করে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কষ্ট করে যায়।
তার প্রতিদান কি উপরোক্ত বিষয়গুলো? উচ্চ শিক্ষার মূল্যায়ন কি বাংলাদেশে এ রকমই রয়ে যাবে ?
লেখকঃ টেরিটরি ম্যানেজার, নকিয়া মোবাইল ফোন, ন্যাশনাল ডিস্ট্রিবিউটর (ইউনিয়ন গ্রুপ), চট্টগ্রাম অঞ্চল।


4 Comments