জুনায়েদ বাচঁতে চায়, আসুন ওর পাশে দাড়াই
গোলাম রসূল | ১১:১০ পূর্বাহ্ন, ২২ এপ্রিল, ২০১৮

জুনায়েদ বাচঁতে চায়
মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না-ও বন্ধু...মানুষ মানুষের জন্য। গায়ক ভূপেন হাজারিকার এই গানটি হাজার বছরের শ্রেষ্ট গান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল। এ গানের কথা ধরেই বলতে চাই আপনাদের একটু সহানুভূতিই বাচাঁতে পারে একটি প্রাণ, একটি পরিবার ও একটি স্বপ্ন।
বলছি ষষ্ট শ্রেণির ছাত্র জুনায়েদ মিয়ার কথা। মায়াবী চেহারার এ শিশুটি কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়নের উসমানপুর গ্রামের ইরু মিয়ার ছেলে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুরাতন বিল্ডিংয়ের ২১০ নম্বর ওয়াডের্র ২৭ নম্বর বেডের বিছানায় চিকিৎসাধীন।
ক্যান্সার (Non hodgkin's lymphoma) আক্রান্ত প্রাণবন্ত এ শিশুটির বাবার আর্থিক সক্ষমতা যেটুকু ছিল তার সবটাই তিনি খরচ করেছেন ছেলের জন্য। অনেকের কাছে ধার-দেনা করে চিকিৎসা করছেন। কিন্তু তাতেও হচ্ছে না। চিকিৎসার জন্য লাগে অনেক টাকা। উপায়ন্তর না দেখে শিশুটিকে তার বাবা বাড়িতে নিয়ে আসতে চাইলে সে বলে ওঠে ‘বাবা আমি যাব না’। উপস্থিত ডাক্তাররা স্বচক্ষে দেখলেন জুনায়েদের বেচেঁ থাকার আকুতি। তাৎক্ষণিকভাবে ডাক্তারগণ নিজেদের মধ্যে চাঁদা তুলে পাঁচ হাজার টাকার ব্যবস্থা করলেন। সাময়িক সমাধান হল। ডাক্তারগণ বলেছেন জুনায়েদ বাঁচবে। কিন্তু দরকার দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা। আর জন্য দরকার অনেক টাকা।
জুনায়েদকে হাসপাতালে দেখে তার জন্য কিছু করার অভিপ্রায় নিয়ে গতকাল শনিবার আমরা কয়েকজন মিলিত হয়েছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায়। এতে উপস্থিত ছিলেন র্যাব-১০ এর উপসহকারি পরিচালক তুষার সরকার, রোটারিয়ান কামরুল হাসান বাবু, ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন, সাংবাদিক গোলাম রসূল ও নূরনাহার মীম (পিংকি), ছাত্র মোহাম্মদ রুবেল, তোফাজ্জল হোসাইন, সত্যজিৎ দেবনাথ, আনোয়ার হোসেন ও এমআই অনিক।
আমরা সকলে মিলে জুনায়েদের চিকিৎসার জন্য একটি তহবিল গঠন করেছি। আমার, আপনার সামান্য সহযোগিতায় জুনায়েদ এ পৃথিবীর বুকে বেচেঁ থাকতে পারবে। ওর পরিবার পাবে সুন্দর আগামি। আর আমরা পাব বিশুদ্ধ প্রশান্তি। তাই আসুন, জুনায়েদের পাশে দাড়াই, সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই।
বিকাশ নম্বর: ০১৮১৯-১৪৭৭৫১।

