অষ্টগ্রামের বজরঙ্গী ভাইজান প্রভাষক পুলক
বিশেষ প্রতিনিধি | ৩:৩৬ অপরাহ্ন, ২৫ জানুয়ারী, ২০১৮

নিখোঁজ শিশু ও তার পরিবারের সাথে প্রভাষক পুলকসহ অন্যান্যরা-ছবি-ভাটির রানি
২৩ জানুয়ারি সকালে অষ্টগ্রামের দেওঘর ইউনিয়নের পাওন গ্রামের রাস্তায় উদভ্রান্ত হয়ে ঘুরছিল ৯/১০ বছরের একটি শিশু। অনেকটা অপ্রকৃতিস্থ মনে হচ্ছিল। পরনে জোব্বা ও শীতের পোশাক। গ্রামের সাবেক মেম্বার শামসুদ্দিন ভূঁইয়ার নজরে পড়ে শিশুটি। তিনি কথা বলে বুঝতে পারেন শিশুটি পথ হারিয়ে চলে এসেছে। সাথে করে নিয়ে যান বাড়িতে। উনার প্রতিবেশী কলেজ ছাত্র সনেট যোগাযোগ করে তার শিক্ষক রোটারী ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক একই গ্রামের মনোয়ার হোসেন পুলকের সাথে।
প্রভাষক পুলক শিশুটির সাথে কথা বলেন এবং নিশ্চিত হন ওর বাড়ি নিকলির শিমপুর ইউনিয়নের ঘোড়াদিঘা গ্রামে। তিনি কথা বলেন তার ভাগ্নে বাজিতপুরের ছাত্রনেতা গোলাম রাব্বির সাথে। বাজিতপুর-নিকলী সংসদীয় আসনের সাংসদ মো: আফজাল হোসেন ও বিষয়টি অবগত হন এবং ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন । এক পর্যায়ে অনেক কষ্টের পর শিশুটির পরিবারের সন্ধান পাওয়া যায়। আজকে শিশুটির পরিবারের সদস্যদের কাছে প্রভাষক পুলক স্থানীয় ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে শিশুটিকে হস্তান্তর করেন।
জানা যায় শিশুটি ঢাকা যাত্রাবাড়ী শিমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র।
এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি বাজিতপুর উপজেলার দিলালপুরের কৃতি সন্তান গোলাম রাব্বি ভাটির রানিকে বলেন, “অপরিচিত একটি শিশুর জন্য পুলক মামার দরদ ও মায়ের কাছে পৌঁছে দেয়ার আকুতি দেখে আমার সালমানের "বজরঙ্গী ভাইজান" মুভির কথা মনে পড়ে গেছে। মামাকে আমি স্যালুট জানাই।”
প্রভাষক মনোয়ার হোসেন পুলক ভাটির রানিকে বলেন, “শুকরিয়া বাচ্চাটি তার মায়ের কোলে ফিরে যেতে পারলো। আমি প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই আমার ছাত্র সনেটকে,আলমগীরের পরিবারকে যারা ছেলেটিকে আদর দিয়ে স্বাভাবিক হতে সাহায্য করেছে। ভাগিনা রাব্বিকে ধন্যবাদ এত ব্যস্ততার পরও আমাকে সাহায্য করেছে। ধন্যবাদ বাজিতপুর নিকলীর মাননীয় এমপির পিএস সাবেক ছাত্রনেতা রুবেল ভাইকে যিনি সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছেন। আরও ধন্যবাদ সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ সভাপতি মোহাম্মদ আলী সাহেবকে।”


1 Comments