চারদফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে কিশোরগঞ্জ জেলা হেলথ অ্যাসিসট্যান্টরা
বিশেষ প্রতিনিধি | ৩:২৩ অপরাহ্ন, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৭

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে কিশোরগঞ্জ জেলা হেলথ অ্যাসিসট্যান্টরা
বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও পদমর্যাদাসহ চারদফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসিসট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশন কিশোরগঞ্জ জেলা শাখা।
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসিসট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে দেশের ৬৪ জেলা থেকে আসা কয়েক হাজার হেলথ অ্যাসিসটেন্ট যোগ দেন।
আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বেতন-ভাতা ও পদমর্যাদার ঘোষণা না দিলে ১ জানুয়ারি থেকে মা ও শিশুদের জন্য টিকাদান (ইপিআই) কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছেন সমাবেশকারীরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্য সহকারিরা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। শিশু ও মাতৃমৃত্যু কমানো, য²া, ধনুষ্টংকার, ডায়রিয়া, ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ, সংক্রামক ও অসংক্রামক ব্যাধি ও অন্ধত্ব দূরীকরণে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছেন তারা। কিন্তু স্বাস্থ্য সহকারিদের এসব কাজ টেকনিক্যালধর্মী হলেও সরকার টেকনিক্যাল পদমর্যাদা বাস্তবায়ন করছে না। এতে পদমর্যাদাসহ বেতন বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন তারা।
তাদের চারদফা দাবিসমূহ হল: হেলথ এসিস্ট্যান্টদেরকে নতুন বেতন স্কেলসহ টেকনিক্যাল পদমর্যাদা দেয়া, মাঠ ভ্রমণ ও ঝুঁকি ভাতা মূল বেতনের ৩০ শতাংশ হারে প্রদান করা, প্রতি ছয় হাজার মানুষের জন্য একজন করে স্বাস্থ্য সহকারি নিয়োগ দেয়া ও ১০ শতাংশ পোষ্য কোটার প্রবর্তন করা।
প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি এসব দাবি জানিয়ে ৩১ ডিসেম্বরের সেগুলি না মানলে ১ জানুয়ারি থেকে সারাদেশে টিকাদান বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দেন দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক এনায়েত রাব্বী লিটন ও সদস্য সচিব মোর্শেদুল আলম।
সমাবেশে অংশ নেয়া অষ্টগ্রাম উপজেলা হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলী আকবর ভাটির রানিকে বলেন, “আশা করছি সরকার আমাদের দাবিগুলো পূরণ করবে।”

