হাওরের বুকে রাষ্ট্রপতি
৯:৩২ পূর্বাহ্ন, ২২ অক্টোবর, ২০১৭

তাঁর জন্ম হয়েছিল জল ছলছল সবুজে শ্যামলে ছাওয়া ভূগোলে। হিজলের তমালের ছায়াচ্ছন্ন মাটিতে। লিলুয়া বাতাসে ভরা আদিঅন্তহীন হাওরের বুকে। যেখানে দিগন্ত বিলীন হয় অতলান্ত জলে। সেখানে বিহঙ্গময় উড়াল-পঙ্খির দেশে তাঁর জন্ম হয়েছিল।
প্রকৃতির আদি ও অকৃত্রিম কোলে জন্ম নেওয়া অনন্য মানুষটি আর কেউ নন; মো. আবদুল হামিদ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। চারদিনের সফরে রোববার (০৮ অক্টোবর) দুপুরে কিশোরগঞ্জের মিটামইনে এসেই তিনি ছুটে গেছেন গণ মানুষের কাছে; প্রাণবৈচিত্র্যময় হাওরের বুকে। প্রাণ ভরে দেখেছেন চির চেনা মানুষ আর প্রকৃতিকে। জন্মস্থানের অপরূপ প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর রূপ-লাবণ্যের ছোঁয়ায় উদ্বেলিত হয়ে খুঁজেছিলেন তিনি স্মৃতিময় হারানো শৈশবকে।
রাষ্ট্রপতির সফরসঙ্গী ও তাঁর জেষ্ঠ্যপুত্র, সংসদ সদস্য প্রকৌশলী রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক জানান, ‘অনেকগুলো কর্মসূচিতে ঠাসা এবারের সফরে সুযোগ পেলেনই তিনি এলাকার মানুষদের কাছে চলে গেছেন, মানুষদেরকে কাছে ডেকে এনেছেন। হেঁটেছেন চির পরিচিত পথে। হাওরের বুকে ভেসেছেন। বার বার তাঁর প্রিয় জন্মস্থানের চারদিকে গভীর মমতায় তাকিয়ে দেখেছেন সবকিছু।’
রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক বলেন, ‘রাজনীতির অঙ্গনে সারাটা জীবন ভরেই তিনি তাঁর বুকের মধ্যে মানুষ আর প্রকৃতিকে ধারণ করে রেখেছেন। মানুষের সংস্পর্শ ছাড়া তিনি থাকতে পারেন না। প্রকৃতিকে ছেড়ে মোটেও স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন না। এবারের সফরে সকলের প্রতি তাঁর প্রিয় উপদেশ ছিল, রাজনীতিতে সফল হতে হলে মানুষ ও প্রকৃতিকে ভালোবাসো।’
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের গণমুখী বৈশিষ্ট্যের বাস্তব উদাহরণ ও দর্শন তাঁর জীবন ও কর্মের প্রতিটি ক্ষেত্রে বিচ্চুরিত হয়েছে। এ কারণেই তাঁর সময়কালের মতো এতো পরিদর্শক-দর্শনার্থী বঙ্গভবনে আগে আর কখনোই আসে নি। তিনি প্রতিদিন-প্রতিনিয়ত মানুষকে সাক্ষাত দিয়েছেন।-সূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

