লাইসেন্স নেই, আছে অনিয়ম, মেহরাব ডায়াগনষ্টিক সেন্টারকে জরিমানা আদালতের
মন্তোষ চক্রবর্তী, বিশেষ প্রতিবেদক | ৮:৩৩ অপরাহ্ন, ১০ নভেম্বর, ২০২০

মন্তোষ চক্রবর্তী, বিশেষ প্রতিবেদক: লাইসেন্সবিহীন ডায়াগনষ্টিক সেন্টার পরিচালনা ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে অষ্টগ্রামের মেহরাব হেলথ কেয়ার ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এবং জনসেবা ডায়াগনষ্টিক সেন্টার নামের দুইটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে ১১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এর মধ্যে মেহরাবকে এক হাজার ও জনসেবাকে দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রফিকুল ইসলাম এ ভ্রাম্যমাণ আদালতটি পরিচালনা করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রফিকুল ইসলাম জানান, মেহরাব হেলথ কেয়ার ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এবং জনসেবা ডায়াগনষ্টিক সেন্টার দুটির লাইসেন্স না থাকা এবং নানান অনিয়ম ও অসংগতির অভিযোগের ভিত্তিতে আজ সকালে আদালত পরিচালনা করলে দুটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। সেইসাথে এক সপ্তাহের মধ্যে তাদেরকে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য অনুমোদনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে বলা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন অষ্টগ্রাম উপজেলা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোবারক হোসেন আকন্দ ও অষ্টগ্রাম থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক সঞ্জয় কুমার দে সহ সঙ্গীয় র্ফোস।
মেহরাব হেলথ কেয়ার ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের নামে বিভিন্ন সময় রোগিদেরকে চিকিৎসার নামে হয়রানীর নানান অভিযোগ রয়েছে। গত ২৬ জুলাই অষ্টগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি অভিযোগ করেন পূর্ব অষ্টগ্রামের শাখাওয়াত হক জোসেফ। পরে মেহরাব হেলথ কেয়ার ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ডা: নাজমুল হাসান ভূইয়া অপরাধ স্বীকার করেন এবং বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হয়।

উল্লেখ্য, সোমবার (৯ নভেম্বর) কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে অনুমোদনহীন প্রাইভেট হাসপাতাল কেয়ার জেনারেল হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এর আগে প্রাইভেট এই হাসপাতালটিতে প্রসূতির জরায়ু কেটে ফেলা ও নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠলে সিভিল সার্জনের নির্দেশে অভিযোগগুলোর তদন্ত করা হয়।
তদন্তে প্রাইভেট হাসপাতালটির সরকারি অনুমোদন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় এবং হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়ায় কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জনের লিখিত নির্দেশে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমুস সালেহিন প্রাইভেট হাসপাতালটি বন্ধের লিখিত নির্দেশ দিয়েছেন।

